রমাদানে দোয়া কবুলের গল্প ❤️❤️


গত রমাদান মাসে ঠিক এই সময়টাতে প্রতিদিন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে যত আমল ছিল করেছি আর মন থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লাকে ডেকেছি.....


২৭ বছর হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু বিয়ে হচ্ছিল না শুধু আমি খাটো বলে। কত একাকীত্ব, ডিপ্রেশনে ছিলাম.... 


প্রতিদিন ঘুমানোর সময় নিরবে কাঁদতাম আর আল্লাহর কাছে মনে মনে চাইতাম; আমার বাবা মা যেই টেনশনে আছে আমাকে নিয়ে তাদের জন্য হলেও আপনি আমার বিয়ের হুকুম করুন, তাদেরকে চিন্তা মুক্ত করুন....


কতশত অপমান, নিজের পরিবারও হাপিয়ে গিয়েছিল আমার উপর... 


হঠাৎ করে এক দমকা হাওয়ার মত জীবনের সব কিছু পরিবর্তন হয়ে গেলো। আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করে এক সপ্তাহের মধ্যে এমন একজন দ্বীনদার মানুষকে জীবনে পাঠিয়ে দিলো আল্লাহু আকবার।

আলহামদুলিল্লাহ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। কত দূর থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসতো, কত ঝামেলা পোহাইছে আমার পরিবার। অবশেষে নিজের এলাকায় বিয়ে হলো...

যার সাথে বিয়ে হলো এক এলাকার হওয়া সত্বেও কেউ কাউকে একনজর দেখি নাই কোনো দিন।

এটাই ছিল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উত্তম পরিকল্পনা... ❤️


আলহামদুলিল্লাহ জীবন সুন্দর, শুধু আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন আর রমাদান মাসে যত বেশি পারেন আমল করুন, দোয়া করুন.....

দোয়ার শক্তি অনেক, আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।


নোট : শুনেছিলাম অন্যের জন্য দোয়া করলে ফিরিস্তাও অনুরূপ দু'আ করে, দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়, তাই আমি আমার এক আপু, ভাগ্নী কারোর বিয়ে হচ্ছিল না তাদের জন্য সবসময় মন থেকে দোয়া করতাম। 

আলহামদুলিল্লাহ গত ২৩ সালে ৪ মাসের ডিফারেন্সে আমাদের তিন জনেরই বিয়ে হয়েছে। আর তখনই উপলব্ধি করেছি দোয়া শক্তি ঠিক কতটা সুবহানাল্লাহ্। 

:

সংগৃহীত

Leave a Comment