অসম্ভব দোয়া কবুলের গল্প 🍀


জীবনে আল্লাহর কাছে অনেক কিছু চেয়েছি কিন্তু আল্লাহ দেননি। সিজদায় খুব করে চাইতাম কিন্তু পাইনি।


গত রমজান সব কিছুর থেকে তওবা করলাম।

তার আগেই মিজানুর রহমান আযহারী হুজুর এর একটা ওয়াজ শুনলাম, যে বেশি বেশি ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তার সব দোয়া কবুল করে নিবেন। তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ হয়ে যাবে, যার দোয়া করতে দেরি কবুল হতে দেরি না।


সেই থেকে শুরু হলো আমার ইস্তেগফারের আমল। আর কোন আমল আমার ভালো লাগতো না। শুধুই ইস্তেগফার করতাম আর ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম।


আমি যদি শুকরিয়া আদায় করতে করতে মরেও যাই তবুও কম হবে। আল্লাহ আমাকে কি দিয়েছেন তা শুধু আমার রব আর আমিই জানি।


কুদরত কাকে বলে, গায়েবী সাহায্য কাকে বলে আমার মতো নিকৃষ্ট অধম তা জানে... 

যেই কুদরত আর গায়েবী সাহায্যের কথা নবী, রাসূলদের জীবনীতে পড়তাম সেই কুদরত আমার মতো অধমও পেতে পারে!!!


কি পেয়েছি সেটা আর না বলি এইটা আমার নিয়ামত...


জীবনসাথী হিসেবে জীবনে কতজনকে চেয়েছিলাম তার কোন ইয়াত্তা নেই। আল্লাহ কাউকে দেননি আলহামদুলিল্লাহ্। শুকরিয়া আল্লাহর দরবারে যে আল্লাহ আমাকে যেমন জীবন সাথী দিয়েছেন তার যোগ্য আমি না।


কত পাপ করেছেন? কত জিনা করেছেন? কত অন্যায় করেছেন? আপনার পাপের থেকেও আপনার রবের দয়া অনেক.... শুধু একবার খাস দিলে তওবা করে পাপ থেকে বেচেঁ থাকুন, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন ইনশাআল্লাহ্ আপনার রব আপনাকে খালি হাতে ফিরাবেন না।


ধীরে ধীরে আমি যখন আমার জীবনের পরিবর্তন দেখলাম আমি নিজেই অবাক হয়ে গেলাম। এখনো আমার জীবনের এতোটা পরিবর্তনে আমি অবাক! আমাকে যারা ছোট করতো কষ্ট দিত তাদের থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে অনেক সম্মানিত করেছেন। তাদের থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন। শুকরিয়া আল্লাহর দরবারে। 


সংগৃহীত

1 thoughts on "দোয়া কবুলের গল্প -১"